দীর্ঘ অসুস্থতার পর সোমবার, ২৪ নভেম্বর মুম্বইয়ে নিজের বাসভবনে প্রয়াত হন বলিউডের ‘হিম্যান’ ধর্মেন্দ্র। কয়েকদিন আগে যখন কিংবদন্তি অভিনেতা হাসপাতালে ভর্তি ছিলেন তখন একবার তাঁর মৃত্যু নিয়ে গুজব রটেছিল। তাতে প্রচণ্ড বিরক্ত হয়েছিলেন অভিনেতার পরিবার। তারপর থেকেই প্রয়াত অভিনেতার খবরাখবর নিয়ে মুখে এঁটেছিলেন তাঁরা। এমনকি মৃত্যুর পরেও পরিবারের তরফ থেকে কোনও প্রতিক্রিয়া দেননি। আজ বৃহস্পতিবার মুম্বইয়ের এক পাঁচতারা হোটেলে প্রয়াত অভিনেতার পরিবারের তরফে একটি স্মরণসভার আয়োজন করা হয়েছে। বিকেল ৫.৩০টা থেকে ৭.৩০টা পর্যন্ত পরিবার, ঘনিষ্ঠ বন্ধুদের উপস্থিতিতে স্মরণে শ্রদ্ধায় ধর্মেন্দ্রর জীবনকে উদযাপন করা হবে।
এদিকে, ধর্মেন্দ্রর মৃত্যুর পর নীরবতা ভেঙে এই প্রথম সোশ্যাল মিডিয়ায় পোস্ট করলেন হেমা মালিনী। দু’জনের বিভিন্ন মুহূর্ত ও নানা পারিবারিক ছবি ভাগ করে লেখেন, ‘ধরম জি, তিনি আমার সবকিছু ছিলেন। আমার স্বামী, আমার দুই সন্তান এষা ও অহনার স্নেহময় বাবা, বন্ধু-পথপ্রদর্শক। আমার জীবনের সব ওঠাপড়ায় তাঁকে আমার পাশে পেয়েছি। আমার সবটা জুড়ে শুধু তিনিই ছিলেন। শুধুমাত্র নিজের ব্যবহার, পরিচয়ে আমার পরিবারের সকলকে আপন করে নিয়েছিলেন। এমনকী তাঁর অভিনয়, কর্মদক্ষতা তাঁকে বাকি সকলের থেকে আলাদা করেছে তাঁর ফিল্মি কেরিয়ারে। তাঁর তুলনা তিনি নিজেই। এত বছরের পথচলার সঙ্গী তিনি আমার। এই ক্ষতি একান্তই আমার ব্যক্তিগত ক্ষতি। যা আমাকে সারাজীবন আচ্ছন্ন করে রাখবে। আমার এই শোক কখনও ভোলার নয়। তাঁর সঙ্গে এতদিনের পথচলার বিভিন্ন ভালো স্মৃতি আঁকড়েই আমি বাকি জীবনটা অতিবাহিত করব।’
উল্লেখ্য, আগামী ৮ ডিসেম্বর ছিল ধর্মেন্দ্রর ৯০তম জন্মদিন। পরিবারের তরফে সেই জন্মদিন মহাসমারোহে পালনের জন্য প্রস্তুতিও নেওয়া হচ্ছিল। কিন্তু সোমবারে পুরো ছবিটাই বদলে। ধর্মেন্দ্রর মৃত্যুর পর তাঁর শেষকৃত্যে এবং তাঁর বাড়িতে দেখা করতে, পরিবারের দুঃসময়ে পাশে দাঁড়াতে পৌঁছন বলিউডের বহু বিশিষ্ট জন। এবার তাঁদের উদ্দেশে ধর্মেন্দ্রর পরিবারের তরফে একটি পোস্টার ভাগ করে নিয়ে এই স্মরণ অনুষ্ঠানের কথা জানানো হয়। সেখানে দেখা যাচ্ছে বলিউডের ‘হিম্যান’র অল্প বয়সের ছবি, তাতে লেখা ‘সেলিব্রেশন অফ লাইফ’। সেখানেই জানানো হয়েছে মুম্বইয়ের বান্দ্রায় একটি পাঁচতারা হোটেলে হবে স্মরণসভা। সেখানে উল্লেখ রয়েছে সময়ের।





