এসআইআর শুরু হওয়ার পর থেকে রাজ্যে একের পর এক আতঙ্কে আত্মহত্যার অভিযোগ সামনে আসছে। বৃহস্পতিবার বহরমপুরে আত্মঘাতী হলেন এক ব্যক্তি। পরিবারের দাবি, এসআইআরে নিজের নাম তোলা নিয়ে আতঙ্কের জেরেই আত্মঘাতী হন তারক সাহা নামের ওই ব্যক্তি। বয়স ৫২ বছর। সূত্রের খবর, ২০০২ সালের ভোটার তালিকায় তাঁর নাম নেই। এছাড়াও পুরনো কোনও নথিও তাঁর কাছে বর্তমানে নেই। সেই কারণেই চলতি বছর ভোটার তালিকায় বিশেষ নিবিড় সংশোধনে কীভাবে নাম তুলবেন, তা নিয়ে দুশ্চিন্তায় ভুগছিলেন তিনি। এই আতঙ্কেই বৃহস্পতিবার গলায় দড়ি দিয়ে আত্মহত্যা করেন বলে জানিয়েছেন পরিবারের সদস্যরা। ঘটনার তদন্ত শুরু করেছে বহরমপুর থানার পুলিশ।
নিহত তারক সাহা বহরমপুর পৌরসভার ২৪ নং ওয়ার্ডের গান্ধী কলোনি উত্তরপাড়া এলাকার বাসিন্দা। বেশ কয়েকবছর ধরে তিনি ওই এলাকায় বসবাস করেন। মশলামুড়ি বিক্রি করে জীবনযাপন করতেন। পরিবারের সদস্যদের অভিযোগ, এসআইআর আবহে দেশ থেকে বিতাড়িত হওয়ার আতঙ্কে বৃহস্পতিবার দুপুরে গাছে গলায় ফাঁস দিয়ে আত্মঘাতী হন তারক। তাঁকে ঝুলন্ত অবস্থায় দেখতে পেয়ে বহরমপুর থানয় খবর দেওয়া হয়। তড়িঘড়ি তাঁকে উদ্ধার করে মুর্শিদাবাদ মেডিক্যাল কলেজে নিয়ে গেলে চিকিৎসকরা তাকে মৃত বলে ঘোষণা করেন। তারক সাহার স্ত্রী প্রিয়া সাহা পরিচারিকার কাজ করেন। এই ঘটনার সময় তিনি বাড়িতে ছিলেন না বলেই জানা গিয়েছে।
তারকের মৃত্যুর পর থেকে এসআইআর নিয়ে রীতিমতো আতঙ্কিত এলাকাবাসীর মানুষ। ঘটনাস্থলে গিয়ে বহরমপুর পৌরসভার তৃণমূল কাউন্সিলার জয়ন্ত প্রামাণিক বলেন, ”বিরোধীরা চক্রান্ত করে ভুল তথ্য দিয়ে সাধারণ মানুষকে আতঙ্কিত করে তুলছে। এলাকার মানুষদের আতঙ্কিত না হওয়ার কথা বলছি।”





