Header AD

কেন্দ্রীয় আইনমন্ত্রীর সামনেই দেশের গণতন্ত্রকে রক্ষার জন্য সরব মুখ্যমন্ত্রী

কেন্দ্রীয় আইনমন্ত্রী অর্জুনরাম মেঘাওয়ালের (Arjun Ram Meghwal) সামনেই কেন্দ্রের বিরুদ্ধে বিস্ফোরক মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় (Mamata Banerjee)। দেশের বিচারব্যবস্থার প্রতি তাঁর আবেদন “আপনারা আমাদের দেশের গণতন্ত্র রক্ষার দায়িত্ব নিন। দেশের মানুষকে রক্ষা করুন। ” জলপাইগুড়িতে কলকাতা হাইকোর্টের সার্কিট বেঞ্চের স্থায়ী ভবনের উদ্বোধনে গিয়ে বিচারব্যবস্থার সঙ্গে যুক্ত আইনজীবিদের উদ্দেশ্যে এই আর্জিই জানালেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। পাশাপাশি এদিনের অনুষ্ঠান থেকে কেন্দ্রীয় বঞ্চনার বিরুদ্ধে সরব হয়ে তিনি বলেন, “ফার্স্ট ট্র্যাক কোর্ট তৈরির জন্য বরাদ্দ অর্থ বন্ধ রেখেছে কেন্দ্র।”

শনিবার জলপাইগুড়ির পাহাড়পুরে কলকাতা হাইকোর্টের সার্কিট বেঞ্চের স্থায়ী ভবনের উদ্বোধন করেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। এই ভবনের উদ্বোধনের সঙ্গে সঙ্গেই উত্তরবঙ্গের বিচারব্যবস্থার ইতিহাসে সূচিত হল এক সোনালি অধ্যায়। দীর্ঘ প্রতীক্ষার অবসান ঘটিয়ে জলপাইগুড়িতে সার্কিট বেঞ্চের স্থায়ী ভবনের রাজকীয় উদ্বোধন (Jalpaiguri Circuit Bench) হল। এই উদ্বোধনের ফলে উত্তরবঙ্গের মানুষকে আইনি বিচার পাওয়ার জন্য আর বারবার কলকাতায় ছুটে যেতে হবে না।২০১২ সালে জলপাইগুড়ি স্পোর্টস কমপ্লেক্স ময়দানে একটি অনুষ্ঠানের মধ্য দিয়ে কলকাতা হাইকোর্টের জলপাইগুড়ি সার্কিট বেঞ্চের স্থায়ী পরিকাঠামোর শিলান্যাস হয়েছিল। পরবর্তীতে জলপাইগুড়িতে জেলা পরিষদের ডাকবাংলোর অস্থায়ী পরিকাঠামোতে ২০১৯ সালে সার্কিট বেঞ্চের কাজ শুরু হয়। ওই একই বছর পাহাড়পুর এলাকাতেও শুরু হয় স্থায়ী পরিকাঠামো তৈরির কাজ। ৪০ একর জমির ওপর জলপাইগুড়ি পাহাড়পুর এলাকায় ৩১ডি জাতীয় সড়কের পাশে কলকাতা হাইকোর্টের জলপাইগুড়ি সার্কিট বেঞ্চের স্থায়ী পরিকাঠামো তৈরি হয়েছে । ভবনটি নির্মাণে রাজ্য সরকারের ব্যয় হয়েছে আনুমানিক ৫০০ কোটির বেশি। এই ভবনে ৮০টি রেসিডেন্সিয়াল কমপ্লেক্স, ৬টি কোর্ট, ১টি চিফ জাস্টিসের বাংলো রয়েছে।

এদিনের অনুষ্ঠান থেকে রাজ্যের আইন ব্যবস্থার প্রতি কেন্দ্রীয় বঞ্চনার অভিযোগে সরব হন মুখ্যমন্ত্রী। তিনি বলেন, ফার্স্ট ট্র্যাক কোর্ট তৈরির জন্য বরাদ্দ অর্থ বন্ধ রেখেছে কেন্দ্র। তারপরও আমরা মহিলাদের জন্য ৮৮টা ফার্স্ট ট্র্যাক কোর্ট চালু করেছি। ৭টা পকসো আদালত করেছি।” এরপর জুনিয়র অ্যাডভোকেটদের প্রাপ্য অর্থের বিষয়ে আইনজীবীদের আলোকপাত করে বলেন, “জুনিয়াররা সার্বিক বেনিফিট পায় না। আপনারা ব্যাপারটা একটু দেখবেন।” SIR আবহে এদিনের সভা থেকে বিচারব্যবস্থা প্রতি তাঁর আবেদন আবেদন “আমাদের দেশের গণতন্ত্র রক্ষা দায়িত্ব নিন আপনারা।”