Header AD

বাংলায় ৩০ মে থেকে বিনামূল্যে জরায়ুমুখ ক্যানসার প্রতিরোধে টিকাকরণ কর্মসূচি শুরু, বড় ঘোষণা শুভেন্দুর

Holding Centre

গোটা বিশ্বের মত এদেশের মহিলাদের মধ্যেও জরায়ুমুখ ক্যানসারে (Cervical Cancer) আক্রান্তের সংখ্যা ক্রমেই বাড়ছে। তা প্রতিরোধে ইতিমধ্যেই উদ্যোগী কেন্দ্র। গোটা দেশে শুরু হয়ে গিয়েছে টিকাকরণ কর্মসূচি (Vaccination Programme)। তারই অংশ হিসাবে এবার বাংলায় শুরু হতে চলেছে বিনামূল্যে টিকাকরণ কর্মসূচি। আগামী ৩০ মে শুরু হবে সেই কর্মসূচি।

শনিবার স্বাস্থ্য দপ্তরের বৈঠকের পর একথা ঘোষণা করেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী (Suvendu Adhikari)। তিনি জানান, কেন্দ্রের তরফ থেকে বাংলায় ৭ লক্ষ ডোজ টিকা পাঠানো হচ্ছে। বিধানননগর মহকুমা হাসপাতাল থেকে শুরু হবে এই টিকাকরণ কর্মসূচি। ১৪-১৫ বছরের ঊর্ধ্বে যেকোনও কিশোরী টিকাকরণ কর্মসূচিতে অংশ নিতে পারবে। পাশাপাশি রাজ্যে জনৌষধি কেন্দ্রের সংখ্যা বাড়ছে বলেও জানান মুখ্যমন্ত্রী।

প্রসঙ্গত, সারা বিশ্বে প্রতি বছর নতুন করে সার্ভাইক্যাল ক্যানসারের আক্রান্ত রোগীর সংখ্যা ৬ লাখ। আর প্রতি বছর এই ক্যানসারে মৃত্যুহার প্রায় ৩.৪ লাখ। এটি মহিলাদের মধ্যে চতুর্থতম ক্যানসার। আর এদেশের নিরিখে, এটি মহিলাদের মধ্যে দ্বিতীয়তম ক্যানসার। এদেশে প্রতি একলাখে ১৪ জন করে নতুন সার্ভাইক্যাল ক্যানসারের রোগী প্রতিবছর চিকিৎসা করাতে আসেন, আর মৃত্যুহার লাখে ৯ জন। এদেশের জনসংখ্যার নিরিখে সংখ্যাটা নেহাতই কম নয়। এই ক্যানসার প্রতিহত করতে টিকাকরণের উপর জোর দিয়েছে কেন্দ্র। অর্থাৎ সময়ে টিকা নিয়ে নিলে ক্যানসার প্রায় ৭৫-৮০ শতাংশ প্রতিহত করা সম্ভব। কিশোরী বয়সে টিকাকরণ হলে এই রোগ প্রতিরোধ করা অনেকাংশে সম্ভব। সেই কারণেই এই টিকাকরণ কর্মসূচির উদ্যোগ নিয়েছে রাজ্য সরকার।

এদিন শুভেন্দু জানান, সাধারণ মানুষের কথা মাথায় রেখে রাজ্যে জনৌষধি কেন্দ্র বাড়ানোর সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। বর্তমানে বাংলায় ১১৭টি কেন্দ্র রয়েছে। তা বাড়িয়ে ৪৬৯টি করা হবে। এবং এই কেন্দ্রগুলিতে দুরারোগ্য ব্যাধির ক্ষেত্রে ওষুধে ৫০-৮০ শতাংশ পর্যন্ত ছাড় পাওয়া যাবে বলেও জানান মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী।জানা গিয়েছে এর জন্য ন্যাশনাল হেলথ মিশনে ২ হাজার ১০৩ কোটি টাকা বরাদ্দ করেছে কেন্দ্র। যার মধ্যে ৫০০ কোটি টাকা অনুদান পাওয়া গিয়েছে শনিবার।