রবিবার দক্ষিণ ২৪ পরগনার বিষ্ণুপুর-এ যাচ্ছেন অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়(Abhishek Banerjee)। দক্ষিণ ২৪ পরগনার বড় কাছারির শিবমন্দির সংলগ্ন এলাকায় আগুনে ভস্মীভূত হওয়া দোকানগুলিকে নতুন করে তৈরি করা হয়েছে। সেই নতুন দোকানগুলির চাবি ক্ষতিগ্রস্ত ব্যবসায়ীদের হাতে তুলে দেবেন তিনি। জানা গিয়েছে, এদিন ওই অনুষ্ঠানে উপস্থিত থেকে ব্যবসায়ীদের সঙ্গে কথাও বলবেন তিনি। পাশাপাশি সভামঞ্চ থেকে বক্তব্য রাখারও কথা রয়েছে তৃণমূল কংগ্রেসের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদকের।
এই মন্দিরের সঙ্গে ডায়মন্ড হারবারের বিস্তীর্ণ অঞ্চলের মানুষের জীবন জীবিকা ও আবেগ জড়িয়ে। ২০২৪–এর ১৮ এপ্রিল ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডে পুড়ে ছাই হয়ে গিয়েছিল বড় কাছারি মন্দিরের আশপাশের ৭০টি দোকান। ক্ষতিগ্রস্ত হয় মন্দিরটিও। আগুনের তীব্রতা এতটাই বেশি ছিল যে দমকলের পাঁচটি ইঞ্জিন ঘটনাস্থলে ছুটে যায়। বেশ কিছুক্ষণের চেষ্টায় দমকল কর্মীরা আগুন নিয়ন্ত্রণে আনেন। কিন্তু ততক্ষণে যা ক্ষতি হওয়ার হয়ে গিয়েছিল। এই ঘটনার পর অভিষেক নিজের সাংসদ তহবিলের টাকায় মন্দির মেরামতির উদ্যোগ নেন। সেই মেরামতির কাজ শেষ হয়েছে। বড় কাছারি মন্দির ফিরে পেয়েছে পুরনো চেহারা। ক্ষতিগ্রস্ত ব্যবসায়ীদের জন্য নতুন করে দোকান তৈরি করে দেওয়া হয়েছে। রবিবার মন্দিরে পুজো দেওয়ার পাশাপাশি নতুন তৈরি দোকানগুলো চালু করতে যাবেন তৃণমূলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক ।
উল্লেখ্য, রাজনৈতিক কর্মসূচিতে জেলা সফরে গেলে অনেক সময়েই অভিষেককে স্থানীয় কোনও মন্দিরে পুজো দিতে দেখা যায়। জানুয়ারি মাসেই তিনি কোচবিহারে গিয়ে মদনমোহন মন্দিরে পুজো দিয়েছিলেন।
অগ্নিকাণ্ডে যেসব ব্যবসায়ীর দোকান পুড়ে গিয়েছিল, তাঁদের অনেকেই ছোট ব্যবসায়ী। ফলে দোকান নষ্ট হয়ে যাওয়ায় তাঁদের রুজি-রুটি কার্যত বন্ধ হয়ে গিয়েছিল। এলাকার সাংসদ দ্রুত দোকান পুনর্গঠনের উদ্যোগ নেওয়ায় স্বস্তি প্রকাশ করেছেন ক্ষতিগ্রস্ত ব্যবসায়ীরা। তাঁদের আশা, নতুন দোকান হাতে পেলে আবারও স্বাভাবিক ছন্দে ফিরবে ব্যবসা এবং সংসারের চাকা ঘুরতে শুরু করবে। স্থানীয় বাসিন্দারাও মনে করছেন, দ্রুত পুনর্নির্মাণের ফলে এলাকার ব্যবসায়িক পরিবেশ আবার আগের মতোই সক্রিয় হয়ে উঠবে। এখন সকলের নজর রবিবারের অনুষ্ঠানের দিকে, যেদিন আনুষ্ঠানিকভাবে দোকানের চাবি তুলে দেওয়া হবে ক্ষতিগ্রস্ত ব্যবসায়ীদের হাতে।





