রাজ্যে ঝড়-বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে বলে পূর্বাভাস দিয়েছিল আলিপুর আবহাওয়া দপ্তর ( Alipore Weather Office)। গাঙ্গেয় পশ্চিমবঙ্গের উপর একটি ঘূর্ণাবর্ত তৈরি হয়েছে, যা উত্তর ওড়িশা পর্যন্ত বিস্তৃত রয়েছে। পাশাপাশি বঙ্গোপসাগর থেকে রাজ্যে প্রচুর জলীয়বাষ্প প্রবেশ করছে। এর প্রভাবেই আগামী দিনে ঝড়-বৃষ্টির দাপট আরও বাড়তে পারে বলে সতর্ক করেছিল হাওয়া অফিস। আজ বৃহষ্পতিবার, সকাল থেকে আবহাওয়া ঠিক তাহলেও দুপুরের পর থেকে আচমকা শিল সহ ঝড়বৃষ্টি শুরু হয় শহরের বিস্তীর্ণ অংশে । প্রবল ঝড়-বৃষ্টির কারণে কলকাতা বিমানবন্দরে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের (Mamata Banerjee) বিমান অবতরণে জটিলতা তৈরি হয়। প্রায় আধ ঘণ্টা ধরে আকাশেই ঘুরপাক খায় বিমানটি। পরে দুর্যোগের মধ্যেই দমদম বিমানবন্দরে জরুরি অবতরণ করে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের বিমান।
শুক্রবার পূর্ব ও পশ্চিম মেদিনীপুর ও ঝাড়গ্রামের কিছু এলাকায় ঘণ্টায় ৩০ থেকে ৪০ কিলোমিটার বেগে দমকা হাওয়া বইতে পারে বলে পূর্বাভাস। অন্যদিকে শনিবার ও রবিবার দুদিনই দক্ষিণবঙ্গের অধিকাংশ জেলাতেই ঝড়, বজ্রবিদ্যুৎ-সহ বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে। সোমবারও চারটি জেলায় ঝড়-বৃষ্টির আশঙ্কার কথা জানিয়েছে আবহাওয়া দপ্তর।
শুক্রবার রাজ্যের সাত জেলায় ঝড়-বৃষ্টির জন্য কমলা সতর্কতা (Orange allert) জারি করেছে হাওয়া অফিস। সতর্কতার আওতায় রয়েছে পশ্চিম মেদিনীপুর, ঝাড়গ্রাম, পুরুলিয়া, বাঁকুড়া, পূর্ব ও পশ্চিম বর্ধমান এবং বীরভূম। ওই জেলাগুলিতে ঘণ্টায় ৫০ থেকে ৬০ কিলোমিটার বেগে ঝোড়ো হাওয়া বইতে পারে বলে পূর্বাভাস দেওয়া হয়েছে। তবে মঙ্গলবার থেকে আবহাওয়ার পরিস্থিতি ধীরে ধীরে স্বাভাবিক হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে।
উত্তরবঙ্গেও বৃষ্টির পরিস্থিতি বজায় থাকবে বলে জানিয়েছে আবহাওয়া দফতর। আগামী ২ এপ্রিল পর্যন্ত সব জেলাতেই বজ্রবিদ্যুৎ-সহ হালকা থেকে মাঝারি বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে। তবে শনিবার ও রবিবার কয়েকটি জেলায় কমলা সতর্কতা জারি করা হয়েছে। শনিবার দার্জিলিং, জলপাইগুড়ি, কালিম্পং, আলিপুরদুয়ার ও কোচবিহারে অতিভারী বৃষ্টির পূর্বাভাস রয়েছে। আর রবিবার জলপাইগুড়ি ও আলিপুরদুয়ারে একই সতর্কতা জারি করা হয়েছে।





