Header AD

মমতার তীব্র প্রতিবাদে চাপে কেন্দ্র! ‘১৯৭১’ মনে করিয়ে অবশেষে পাকিস্তানকে কড়া বার্তা রাজনাথের

Rajnath Singh

কলকাতাকে লক্ষ্য করে পাকিস্তানের তরফে হুমকির মন্তব্য ঘিরে রাজনৈতিক উত্তেজনা তুঙ্গে। এই ইস্যুতে কেন্দ্রীয় নেতৃত্বের নীরবতা নিয়ে সোমবার প্রশ্ন তুলেছিলেন পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় (Mamata Banerjee)। উত্তরবঙ্গের জনসভা থেকে একই ইস্যুতে সুর চড়িয়েছিলেন তৃণমূল কংগ্রেসের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় (Abhishek Banerjee)। ক্রমবর্ধমান চাপের মুখে অবশেষে মুখ খুললেন প্রতিরক্ষা মন্ত্রী রাজনাথ সিং (Rajnath Singh)।

মঙ্গলবার বারাকপুরে এক রাজনৈতিক কর্মসূচিতে অংশ নিয়ে সাংবাদিকদের মুখোমুখি হন তিনি। সেখানে পাকিস্তানের হুমকি প্রসঙ্গে প্রতিক্রিয়া জানিয়ে রাজনাথ বলেন, ১৯৭১ সালের ইতিহাস পাকিস্তানের মনে রাখা উচিত। সেই সময় বাংলার দিকে নজর দেওয়ার ফলেই দেশটি ভেঙে দুই ভাগে বিভক্ত হয়েছিল—পাকিস্তান ও বাংলাদেশ। তিনি সতর্ক করে বলেন, ভবিষ্যতেও যদি একই ধরনের দুঃসাহস দেখানো হয়, তার পরিণতি আরও ভয়াবহ হতে পারে।

উল্লেখ্য, সম্প্রতি পাকিস্তানের প্রতিরক্ষামন্ত্রী খোয়াজা আসিফ (Khwaza Asif) সিয়ালকোটে এক সাংবাদিক সম্মেলনে দাবি করেন, ভারত যদি কোনও সামরিক পদক্ষেপ নেয়, তাহলে সংঘাত সীমান্তের মধ্যে সীমাবদ্ধ থাকবে না। বরং তা কলকাতা পর্যন্ত গড়াতে পারে। এই মন্তব্যের পরই বিষয়টি নিয়ে সরব হন মমতা ও অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়।

মুখ্যমন্ত্রী প্রশ্ন তোলেন, এমন গুরুতর হুমকির পরও কেন প্রধানমন্ত্রী ও স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর পক্ষ থেকে কোনও প্রতিক্রিয়া জানানো হয়নি? তিনি এ ধরনের মন্তব্যের তদন্তের দাবিও জানান এবং স্পষ্ট করে দেন, কলকাতার ওপর আক্রমণের হুমকি কোনওভাবেই মেনে নেওয়া হবে না। প্রায় একই সুরে আক্রমণ শানিয়ে অভিষেক বলেন, ‘ আমি পাকিস্তানের প্রতিরক্ষামন্ত্রী খোয়াজা আসিফের নামটা লিখে নিলাম। ইন্ডিয়া জোটের সঙ্গে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় জোট সরকার হলে। বাড়িতে ঢুকে মেরে আসব।‘ প্রধানমন্ত্রীর কাছে পাক অধিকৃত কাশ্মীর দখল করে আনার দাবিও তোলেন ডায়মন্ড হারবারের সাংসদ।

এই প্রেক্ষাপটে রাজনাথ সিংয়ের বক্তব্য পরিস্থিতিকে আরও রাজনৈতিকভাবে তপ্ত করে তুলেছে।