রাজ্যে আদিবাসী ভোটকে নিজেদের দিকে টানতে রবিবার জঙ্গলমহলে জোরদার প্রচার চালান প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি (Narendra Modi)। বাঁকুড়া, পুরুলিয়া, ঝাড়গ্রাম ও পশ্চিম মেদিনীপুর—এই চার জেলায় একাধিক জনসভা করে কার্যত গোটা অঞ্চল ঘুরে বেড়ান তিনি। ঝাড়গ্রামের সভা শেষ করে ফেরার পথে একটি স্থানীয় দোকানে থেমে বাঙালির জনপ্রিয় ঝালমুড়ি চেখে দেখেন এবং আশপাশে জড়ো হওয়া মানুষদেরও তা খাওয়ান। এই ঘটনাকে কেন্দ্র করেই রাজনৈতিক মহলে নতুন বিতর্কের সূচনা হয়েছে। এই পরিস্থিতিতে পালটা কৌশল হিসেবে মাঠে নামছে তৃণমূল। দলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় (Abhishek Banerjee) প্রথম দফার ভোটের শেষ দিনে, মঙ্গলবার ঝাড়গ্রামে জনসভা করার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন।
শাসকদল তৃণমূল কংগ্রেস এই ঘটনাকে কটাক্ষ করে বলেছে, শুধুমাত্র ঝালমুড়ি খাওয়ায় আদিবাসীদের প্রতি সহমর্মিতা প্রকাশ পায় না। তাদের দাবি, একই সময়ে আদিবাসী মানুষের পাশে দাঁড়াতে ঝাড়গ্রামে আসার কথা ছিল ঝাড়খণ্ডের মুখ্যমন্ত্রী হেমন্ত সোরেন-এর, কিন্তু মোদির কর্মসূচির কারণে তাঁর হেলিকপ্টার নামার অনুমতি মেলেনি। ফলে তাঁর প্রচার কার্যত ব্যাহত হয়েছে বলে অভিযোগ।
এদিকে প্রচারের শেষ বেলায় ফের ঝাড়গ্রামে যাচ্ছেন তৃণমূলের সর্বভারতীয় সাধারন সম্পাদক। আগে ওইদিন তাঁর কর্মসূচি শুধুমাত্র বাঁকুড়ার তিনটি সভায় সীমাবদ্ধ থাকলেও, সূচিতে পরিবর্তন এনে ঝাড়গ্রামকেও অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে। সেখানে দলের প্রার্থীদের সমর্থনে তিনি জনসভা করবেন বলে জানা গেছে। ফলে জঙ্গলমহল এখন রাজনৈতিকভাবে অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ হয়ে উঠেছে, যেখানে নেতাদের প্রতিটি পদক্ষেপই বড় রাজনৈতিক বার্তা বহন করছে।





