Header AD

‘নন্দীগ্রামে সংখ্যালঘু ভোট ভাগ করে শুভেন্দুকে জেতাতে ময়দানে বিজেপির বি টিম!’ ভাঙড়ে সিপিএম-আইএসএফকে নিশানা অভিষেকের

ab bhangar

আর মাত্র কয়েক ঘন্টার অপেক্ষা তারপরেই রাজ্যে দ্বিতীয় দফার বিধানসভা নির্বাচন। তার আগে জোর কদমে নির্বাচনী প্রচার ও জনসভা করছেন অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় (Abhishek Banerjee)। শনিবার ভাঙ্গর ও ক্যানিং পূর্ব বিধানসভার তৃণমূল প্রার্থীদের সমর্থনে ভাঙ্গড়ের কাটাডাঙ্গা মাঠে জনসভা করেন তৃণমূলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক। এই জনসভা থেকে একযোগে আইএসএফ ও সিপিআইএমকে চাঁচাছোলা ভাষায় আক্রমণ করেন অভিষেক। তিনি বলেন, “সিপিআইএম (CPIM) এবং আইএসএফের (ISF) জোট হয়েছে। এখানে আমার প্রশ্ন শুভেন্দু অধিকারী যদি সংখ্যালঘুদের বাংলাদেশি ও পাকিস্তানি বলে থাকে তাহলে নন্দীগ্রামে সিপিআইএমও প্রার্থী দিয়েছে আইএসএসও প্রার্থী দিয়েছে। কেন? কাকে সুযোগ করে দেওয়ার জন্য কার হাত শক্তিশালী করার জন্য, কার থেকে টাকা নেওয়া হয়েছে। কেন সেখানে দুইদলই প্রার্থী দেবে? তারা আসলে সংখ্যালঘু ভোট ভাগ করে বিজেপিকে জিততে সুযোগ করে দেওয়া বিজেপির বি টিম”। এর পাশাপাশি সভা থেকে আইএসএফ নেতা নওসাদ সিদ্দিকীর নিরাপত্তা ব্যবস্থা নিয়েও সরব হন তিনি। অভিষেক প্রশ্ন তোলেন, “অমিত শাহকে যে পুলিশ পাহারা দেয় সেই পুলিশ কেন নওশাদ সিদ্দিকী ও হুমায়ুন কবিরকে পাহারা দেয়। “

এদিনের সভা থেকে ক্যানিং পূর্বের আইএসএফ প্রার্থীর বিরুদ্ধে তোপ দেগে তৃণমূলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক বলেন, ‘‘ক্যানিং পূর্ব আর পশ্চিমের সঙ্গে এবার ভাঙড়েও জোড়াফু্ল ফোটাতে হবে। যাতে উন্নয়ন বাধাপ্রাপ্ত না হয়। যাঁরা আদৰ্শ নিয়ে কথা বলে, নিজেদের পীরজাদা হিসাবে দাবি করে, ২০২৩-এ পঞ্চায়েত নির্বাচনে আইএসএফ-র একজন কর্মী নিহত হয়েছিল, প্রধান অভিযুক্তর নাম ছিল আরাবুল ইসলাম, তারাই আজকে আদৰ্শ জলাঞ্জলি দিয়ে সেই তথাকথিত পীরজাদা, অভিযুক্ত আরাবুল ইসলামকে ক্যানিং পূর্বের প্রার্থী করেছে। এই হচ্ছে আইএসএফ-র আসল চেহারা। যাঁদের হাতে আইএসএফ-র কর্মী নিহত হয়েছিল, সেই হচ্ছে আইএসএফ-র নেতা। এই হচ্ছে পীরজাদার আদৰ্শ। তাঁদের মূলমন্ত্র।’’

আইএসএফের প্রতীক চিহ্ন খাম। সেই প্রতীক চিহ্ন নিয়েও এই সভা থেকে অভিষেক বলেন, “আমাদের সিম্বল যেমন জোড়া ফুল ওদের সিম্বল খাম। খামে করে কি যায়? খামে করে টাকা গেছিল বলেই কি নন্দীগ্রামে প্রার্থী নওসাদ বাবু?” এছাড়াও অভিষেক আরও বলেন, ‘‘২০২১ সালে ভাঙরে প্রচার করতে আমি আসিনি। ২০২৩-এ, ২০২৪-এ যখনই ভাঙরে আমি প্রচার করতে এসেছি আপনারা খালি হাতে আমায় ফেরাননি। আমরা ভাঙার, ভেঙে গুড়িয়ে দেওয়ার রাজনীতি করি না। আমরা তৈরি করার রাজনীতি, গড়ার রাজনীতি করি। যাঁরা ভাঙার রাজনীতি করছে, তাঁদেরকে আমি বলব সতর্ক হন। যাঁরা মানুষের পাশে থাকে না, বিজেপির বি টিম; তাঁদের ভাঙরের পবিত্র মাটিতে কোনও জায়গা নেই।’’