Header AD

সরকারি উদ্যোগে এবার সংরক্ষিত হবে রাজ্যের শতাব্দী প্রাচীন বিদ্যালয় গুলি

রাজ্যে ঐতিহ্যবাহী শতবর্ষ প্রাচীন বিদ্যালয়ের সংখ্যা একাধিক। এবার সেগুলিকে চিহ্নিত করে তাঁদের ঐতিহ্য রক্ষায় বিশেষ পরিকল্পনা শুরু করেছে রাজ্য সরকার। মঙ্গলবার বিধানসভার প্রশ্নোত্তর পর্বে শিক্ষামন্ত্রী ব্রাত্য বসু জানান, শতবর্ষ প্রাচীন বিদ্যালয় গুলি বাংলার শিক্ষার ইতিহাস ও বিবর্তনের সাক্ষী, তাই এগুলির সংরক্ষণকে বিশেষ গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে।এদিন শিক্ষামন্ত্রী আরও জানান, পরিকাঠমো সংস্কার ও উন্নয়নে ইতিমধ্যেই আর্থিক সহায়তা দেওয়া শুরু হয়েছে। চলতি বছরের ৩১ মার্চ পর্যন্ত ৩,২০৫ টিরও বেশি শতাব্দী প্রাচীন বিদ্যালয়কে দেওয়া হয়েছে ৬৮ কোটি ৪০ লক্ষ টাকার বেশি অনুদান। তবে তিনি স্পষ্ট করেন, এই স্কুলগুলির অধিকাংশই সরকারি নয়, বরং সরকারি সহায়তা প্রাপ্ত বিদ্যালয়। ফলে প্রকৃত সংখ্যা নিরূপণে কিছুটা জটিলতা তৈরি হয়েছে।তৃণমূল কংগ্রেস বিধায়ক সুকান্ত পালের এক প্রশ্নের জবাবে ব্রাত্য বসু আরও জানান, প্রতিটি জেলা বিদ্যালয় পরিদর্শককে (ডিআই) নির্দেশ দেওয়া হয়েছে এই ধরনের স্কুলগুলিকে চিহ্নিত করে তথ্য সংগ্রহের। সেই সব তথ্য বাংলার শিক্ষা পোর্টালে আপলোড করা হবে, যাতে সাধারণ মানুষও রাজ্যের শতবর্ষ প্রাচীন বিদ্যালয়গুলির ঐতিহ্য সম্পর্কে অবগত হতে পারেন।