নেপালের জেন জি ও সাধারণ নাগরিকদের দাবি মেনে অন্তর্বর্তী সরকার গঠন করলেন রাষ্ট্রপতি রাম চন্দ্র পৌডল। প্রথমবার নেপালের প্রধানমন্ত্রীর আসনে একজন মহিলা। তিনিই দেশের প্রথম মহিলা প্রধান বিচারপতি, সুশীলা কার্কি। তাঁর শপথ গ্রহণের পর গোটা নেপালবাসীর আশা, এবার সেখানে শান্তি ফিরবে। সকলেই অভিনন্দন জানিয়েছেন দেশের নতুন প্রধানমন্ত্রীকে। তাঁকে শুভেচ্ছা জানিয়েছেন বাংলার মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ও।
বাংলার সীমান্তের গুরুত্বপূর্ণ অংশে রয়েছে পর্বতরাষ্ট্র নেপাল। বাংলার মানুষ বিভিন্নভাবে নেপালে সঙ্গে অঙ্গাঙ্গিভাবে যুক্ত। সেই বাংলার মুখ্যমন্ত্রী হিসাবে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ও শুভেচ্ছা জানান নেপালের নবতম প্রধানমন্ত্রীকে। তিনি সোশ্যাল মিডিয়া পোস্টে লেখেন, নেপালের অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধানমন্ত্রীর পদে আসীন হওয়ার জন্য সুশীলা কার্কিকে অভিনন্দন। নেপালের সঙ্গে বাংলার সীমান্ত রয়েছে, মানুষের সঙ্গে মানুষের গভীর যোগাযোগ রয়েছে। প্রতিবেশী হিসাবে আমাদের গভীর সখ্যতা ও সাহচর্যের দিকগুলিকে লালিত করার দিকে তাকিয়ে অধীর আগ্রহে অপেক্ষা করছি।
শুক্রবার রাতে প্রধানমন্ত্রী হিসাবে রাষ্ট্রপতির বাসভবনেই শপথ গ্রহণ করেন সুশীলা কার্কি। এরপর শনিবার সকাল থেকে গোটা নেপাল থেকে তুলে নেওয়া হয় কার্ফু। তবে জেন জি-র আন্দোলন যাতে কোনওভাবেই অন্য কোনও পক্ষ হাইজ্যাক করে নিতে না পারে, তার জন্য মাঠে নেমেছে সক্রিয় সদস্যরা। পরিষ্কার করার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে আগুন লাগানো ও ভাঙচুর চালানো এলাকাগুলিতে। বিভিন্ন এলাকায় ঘুরে বাড়ি বাড়ি থেকে সংগ্রহ করা হয়েছে বিভিন্ন জায়গা থেকে লুট করা সামগ্রী। সেই সঙ্গে নেপালের সেনাবাহিনী খোঁজ শুরু করেছে জেল পালানো কয়েদিদের। ইতিমধ্যেই ভারতের সীমান্ত পেরিয়ে নেপাল ছাড়তে চাওয়া জেল পালানো ৭৫ জনকে গ্রেফতার করেছে ভারতের সীমা সুরক্ষা বল। তাদের তুলে দেওয়া হয়েছে নেপাল সেনাবাহিনীর হাতে।





