দমদমের বেদিয়াপাড়ায় যুবককে পুড়িয়ে খুনের চেষ্টা! ঘটনার তদন্তে তৎপর পুলিশ। এই ঘটনার পর থেকে গা ঢাকা দিয়েছিল মূল অভিযুক্ত সুশান্ত দাস। তবে তাতে শেষরক্ষা হয়নি। নাগেরবাজার থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের হয় তাঁর বিরুদ্ধে। শেষমেশ মোবাইল টাওয়ার লোকেশন ট্র্যাক করে পুলিশ তাঁকে নৈহাটি থেকে গ্রেপ্তার করে। তবে এখনও এই ঘটনায় অভিযুক্ত বাবান ওরফে সুমন বন্দ্যোপাধ্যায় এবং সাগর নামে অন্য দুজনের খোঁজে তল্লাশি চালাচ্ছে পুলিশ।ধৃত সুশান্ত দাস স্থানীয় কাউন্সিলর মৃন্ময় দাসের অনুগামী বলে খবর।
প্রসঙ্গত, গত ২২ অক্টোবর রাতে, দক্ষিণ দমদম পুরসভার ১১ নম্বর ওয়ার্ডের বেদিয়াপাড়া তারকনাথ কলোনিতে এই নৃশংস ঘটনাটি ঘটে। জানা গিয়েছে, ওইদিন তারকনাথ কলোনির কালী প্রতিমা নিরঞ্জন করে এলাকায় দাঁড়িয়েছিল ওই এলাকার এক পরিবারের জামাই রঞ্জিত কর্মকার। সেই সময় স্থানীয় কাউন্সিলর মৃন্ময় দাস এবং তাঁর অনুগামী সুমন বন্দ্যোপাধ্যায় ও সুশান্ত দাস-সহ বেশ কয়েকজন ওই ব্যক্তিকে আক্রমণ করে। সামনে দাঁড়িয়ে থাকা বাইক থেকে পেট্রল বের করে রঞ্জিতের গায়ে আগুন ধরিয়ে দেয় বলে অভিযোগ। আক্রান্ত যুবকের শরীরের ২০ শতাংশ পুড়ে গিয়েছে বলে জানা গিয়েছে। আশঙ্কাজনক অবস্থায় আর জি কর হাসপাতালে চিকিৎসাধীন ওই যুবক।
পুলিশ সূত্রের জানা যায়, ওই এলাকায় কাউন্সিলরের অনুগামী সুশান্ত দাসের দাপট চলে। স্থানীয় কেউ তাঁর বিরুদ্ধে কিছুই করতে পারে না। জানা গিয়েছে, সুশান্তর কাছে নেতাদের আশীর্বাদ থাকায় এলাকায় তাঁর দাপট বেড়েছে। নাগেরবাজার থানার পুলিশ ঘটনার তদন্তে নামে। পুলিশ ঘটনার পাঁচদিনের মাথায় মূল অভিযুক্তকে পাকড়াও করেছে।





