ফের রাজধানীতে চিকিৎসককে ধর্ষণের অভিযোগ উঠল। সেনার পরিচয়ে দিল্লির সফদরজং হাসপাতালে কর্মরত এক চিকিৎসককে ধর্ষণের অভিযোগ উঠল এক যুবকের বিরুদ্ধে। ঘটনার তদন্তে নেমে ইতিমধ্যে অভিযুক্তকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।
ধর্ষণের অভিযোগে হাতে নাম লিখে চিকিৎসকের আত্মহত্যার ঘটনা সাড়া ফেলে দিয়েছিল গোটা দেশে। সেই ঘটনার রেশ কাটতে না কাটতেই আবার দেশের রাজধানীতে চিকিৎসককে ধর্ষণের অভিযোগ উঠেছে। সূত্র মারফত জানা গিয়েছে, ২৭ বছর বয়সি ওই চিকিৎসকের সঙ্গে সোশ্যাল মিডিয়ায় আলাপ হয়েছিল আরভ মালিক নামে এক যুবকের। অনলাইন সংস্থার ডেলিভারি বয় আরভ ওই তরুণীর কাছে নিজেকে লেফটেন্যান্ট হিসেবে পরিচয় দেন। ইনস্টাগ্রামের মাধ্যমে পরিচয়ের পর ধীরে ধীরে যোগাযোগ বাড়তে থাকে তাঁদের মধ্যে। নম্বর আদানপ্রদান থেকে শুরু করে হোয়াটসঅ্যাপে কথোপকথন চলত দু’জনের মধ্যে। চিকিৎসকের কাছে আরভ দাবি করেন তিনি কাশ্মীরে কর্মরত একজন সেনাকর্মী। স্যোশাল মিডিয়ায় নিজের দাবির সত্যতা প্রমাণের জন্য সেনার পোশাক পরা ছবিও পাঠান অভিযুক্ত।
পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, চলতি মাসের শুরুতেই আরভ চিকিৎসককে জানান তিনি ছুটি নিয়ে দিল্লি আসছেন এবং তাঁর সঙ্গে দেখা করতে চান। কিছুদিন পর অভিযুক্ত মসজিদ মোথ এলাকায় ওই চিকিৎসকের বাড়িতে গিয়ে দেখা করেন। অভিযোগ, সেখানেই খাবারের সঙ্গে নেশার দ্রব্য মিশিয়ে চিকিৎসককে ধর্ষণ করেন অভিযুক্ত যুবক। গত ১৬ অক্টোবর আরভের বিরুদ্ধে থানায় অভিযোগ দায়ের করেন চিকিৎসক। সেইমতো অভিযান চালিয়ে আরভকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। পুলিশের হেফাজতে থাকাকালীন জেরায় অভিযুক্ত সব স্বীকার করেছে, এক দোকান থেকে সেনার পোশাক কিনেছিলেন তিনি। এর ফলে আবার দিল্লির সুরক্ষা ব্যবস্থা প্রশ্নের মুখে উঠে দাঁড়িয়েছে।





