Header AD

বাংলার পর্যটন শিল্পকে কেন্দ্রের স্বিকৃতি, দেশের মধ্যে বিদেশি পর্যটকদের আকর্ষণের কেন্দ্রবিন্দুতে দ্বিতীয় স্থানে বাংলা

আন্তর্জাতিক পর্যটন মানচিত্রে ফের মাইলফলক স্পর্শ করল পশ্চিমবঙ্গ। সারা রাজ্যে বিদেশি পর্যটক আসার ক্ষেত্রে গোটা দেশের মধ্যে দ্বিতীয় স্থান অধিকার করল এই রাজ্য। বুধবার রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় নিজের এক্স হ্যান্ডেলে পোস্ট করে এই সুখবরটি রাজ্যবাসীকে জানিয়েছেন। কেন্দ্রীয় পর্যটন মন্ত্রকের সদ্য প্রকাশিত হাওয়া রিপোর্টকে উদ্ধৃত করে। তিনি জানান, ‘বিশ্বজুড়ে পর্যটকদের পছন্দের গন্তব্য হিসেবে বাংলা আজ এক নতুন উচ্চতায় পৌঁছে গিয়েছে।’

কোভিড-পরবর্তী সময়ে সারা বিশ্বজুড়েই পর্যটন শিল্প বড়সড় ধাক্কা খেয়েছিল। কিন্তু সেই কঠিন পরিস্থিতি পেরিয়ে বাংলার পর্যটন শিল্প যে ভাবে ঘুরে দাঁড়িয়েছে তাতে সকলকে অভিনন্দন জানিয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী। তাঁর মতে, এই সাফল্য হঠাৎ করে আসেনি, বরং এটি রাজ্য সরকারের ধারাবাহিক প্রচেষ্টারই ফসল । তিনি উল্লেখ করেন, রাজ্যের পর্যটন দপ্তর গত কয়েক বছরে বেশ কিছু নতুন ক্ষেত্রের ওপর বিশেষ জোর দিয়েছে। এর মধ্যে উৎসব পর্যটন, ধর্মীয় পর্যটন এবং “মাইস ট্যুরিজম” অন্যতম। দুর্গাপুজোর ইউনেস্কো স্বীকৃতি থেকে শুরু করে জঙ্গলমহল ও পাহাড়ের পর্যটন পরিকাঠামো উন্নয়ন—সব মিলিয়েই বিদেশি পর্যটকদের কাছে রাজ্যের আকর্ষণ বেড়েছে।

এদিন মুখ্যমন্ত্রী ‘ইন্ডিয়া ট্যুরিজম ডেটা কম্পেন্ডিয়াম ২০২৫’-এর পরিসংখ্যান তুলে ধরে লেখেন, “আমি গর্বের সঙ্গে জানাচ্ছি যে, পশ্চিমবঙ্গ আন্তর্জাতিক পর্যটকদের কাছে অন্যতম পছন্দের গন্তব্য হিসেবে উঠে এসেছে এবং আরও একটি মাইলফলক স্পর্শ করেছে। ভারত সরকারের পর্যটন মন্ত্রকের প্রকাশিত সাম্প্রতিক তথ্য অনুযায়ী, বিদেশি পর্যটকদের আগমনের সংখ্যার বিচারে পশ্চিমবঙ্গ দেশের মধ্যে দ্বিতীয় স্থান অর্জন করেছে।” বাংলার এই সাফল্যে উচ্ছ্বসিত মুখ্যমন্ত্রী দেশ ও বিদেশের সমস্ত পর্যটককে রাজ্যে আসার আমন্ত্রণ জানিয়েছেন। এ বিষয়ে তিনি আরও লেখেন, ‘আমি দেশি ও বিদেশি সমস্ত পর্যটককে ভারতের মধুরতম অংশ এই পশ্চিমবঙ্গে আসার জন্য স্বাগত জানাচ্ছি। আপনারা আসুন এবং বাংলার সৌন্দর্য, সংস্কৃতি ও ঐতিহ্যের সাক্ষী থাকুন।’ এর সঙ্গে, এই সাফল্যের পেছনে যাদের অবদান রয়েছে, সেই সমস্ত পর্যটন ব্যবসায়ী, কর্মী এবং সংশ্লিষ্ট সকল অংশীদারদের ধন্যবাদ ও অভিবাদন জানিয়েছেন ।