Header AD
Trending

SIR বিতর্কে কমিশনের নতিস্বীকার! পিছিয়ে গেল খসড়া ভোটার তালিকা প্রকাশের দিন

SIR নিয়ে ফের বড় আপডেট দিল নির্বাচন কমিশন (Election Commission)। পিছিয়ে দেওয়া হল খসড়া ভোটার তালিকা প্রকাশের দিন। এসআইআর প্রক্রিয়া শুরু হওয়ার পর থেকেই একাধিক বিতর্কের সম্মুখীন হতে হয়েছে নির্বাচন কমিশনকে। অবশেষে চাপের মুখে নতিস্বীকার করল কমিশন। পশ্চিমবঙ্গ-সহ দেশের ১২টি রাজ্য এবং কেন্দ্রশাসিত অঞ্চলে ভোটার তালিকার বিশেষ নিবিড় সংশোধনের প্রক্রিয়ার সময়সীমা পিছিয়ে দেওয়া সিদ্ধান্ত নিলেন জ্ঞানেশ কুমারের নেতৃত্বাধীন জাতীয় নির্বাচন কমিশন। নির্বাচন কমিশন সূত্রে জানা যায়, আগে যে নির্ঘণ্ট প্রকাশ করা হয়েছিল, সেই তুলনায় এবার সাত দিন পিছিয়ে গেল খসড়া ভোটার তালিকা প্রকাশের দিন। ৯ ডিসেম্বর খসড়া ভোটার তালিকা প্রকাশের দিন স্থির করেছিল কমিশন । তা পিছিয়ে এবার ১৬ ডিসেম্বর করা হল।

এর ফলে স্বাভাবিক ভাবেই চূড়ান্ত ভোটার প্রকাশের দিনও পরিবর্তন হয়েছে। আগামী বছরের ১৪ ফেব্রুয়ারি প্রকাশিত হবে সেই তালিকা। রবিবার জাতীয় নির্বাচন কমিশনের পক্ষ থেকে বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করে জানানো হয়েছে, এন্যুমারেশন ফর্ম(Enumaration Form) জমা নেওয়া এবং কমিশনের ওয়েবসাইটে আপলোড করার প্রক্রিয়া শেষ করতে হবে ১১ ডিসেম্বরের মধ্যে। তার মধ্যে বুথ ব্যবস্থাপনাও সেরে ফেলতে হবে। ১২ ডিসেম্বর থেকে ১৫ ডিসেম্বর পর্যন্ত চলবে খসড়া ভোটার তালিকা প্রস্তুত করার কাজ। সেই খসড়া ভোটার তালিকা প্রকাশ করা হবে ১৬ ডিসেম্বর অর্থাৎ মঙ্গলবার। তার পর সেই তালিকা সংক্রান্ত যাবতীয় অভিযোগ, আপত্তি কমিশনে জানানো যাবে ১৫ জানুয়ারি পর্যন্ত। এই সিদ্ধান্তের পেছনে প্রাথমিকভাবে অনুমান করা হচ্ছে, বাংলা-সহ বিভিন্ন রাজ্যে কর্মরত বিএলওদের চাপই রয়েছে এর নেপথ্যে। নির্বাচন কমিশন সূত্রে জানা গিয়েছে, এসআইআরের কাজের সঙ্গে যুক্ত প্রশাসনের উচ্চস্তরের আধিকারিকরাও একমাসের মধ্যে তালিকা প্রকাশ নিয়ে সন্দেহ প্রকাশ করেছিলেন। ভুলভ্রান্তির সম্ভাবনার কথা তুলেছিলেন তাঁরা। সব দিক খতিয়ে দেখে খসড়া ভোটার তালিকা প্রকাশের দিন বদল করল কমিশন?

এদিকে বিএলও-দের একাংশের দাবি ফর্ম দেওয়া ও সংগ্রহের কাজ শেষ করা গেলেও সার্ভার ডাউন থাকার কারণে আপলোডে প্রথম থেকেই একাধিক সমস্যা হচ্ছে। তাই প্রথম থেকেই খসড়া ভোটার তালিকা প্রকাশের দিন নিয়ে আপত্তি জানান হয়েছিল। একই সঙ্গে এত অল্প সময়ে তালিকা প্রকাশ করা নিয়ে এসআইআর-এর শুরু থেকেই আপত্তি জানিয়ে আসছেন রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। অবশেষে সেই সময়সীমা বর্ধিত করা হল। এই বর্ধিত সময়সীমা আদৌ কতটা সুরাহা করবে তা নিয়ে প্রশ্ন থেকেই যাচ্ছে?