তিনদিনের জেলা সফরে মঙ্গলবার মুর্শিদাবাদের বহরমপুরের পৌঁছলেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। এই সফরে মুর্শিদাবাদের পরে মালদহেও যাওয়ার কথা তাঁর। বুধ ও বৃহস্পতিবার দুই জেলায় জনসভা রয়েছে তাঁর। তারপর তিনি আবার কলকাতায় ফিরে আসবেন। আবার ৯ ডিসেম্বর কোচবিহারে জনসভা করতে যাবেন মুখ্যমন্ত্রী। ছাব্বিশের বিধানসভা ভোটকে সামনে রেখে এই জনসভা অনেকটাই রাজনৈতিক প্রচারে কার্যকর হবে বলে মনে করা হচ্ছে। এসআইআর নিয়ে শাসকদল ও নির্বাচন কমিশনের দ্বন্দ্বের মাঝে মুখ্যমন্ত্রীর হঠাৎ এই জেলা সফর অনেকটাই তাৎপর্যপূর্ণ হবে বলে মনে করছে রাজনৈতিক মহল। “উন্নয়নের পাঁচালি” নামে গত ১৫ বছরের সরকারি খতিয়ান মঙ্গলবার নবান্নের বৈঠকে প্রকাশ করে মুখ্যমন্ত্রী এদিন জেলা সফরে রওয়ানা দেন। এই জনসভা থেকে এসআইআর নিয়ে কী বার্তা দেন তৃণমূল সুপ্রিমো, সেদিকে নজর রয়েছে সকলের।
সূত্রের খবর, মঙ্গলবার নবান্নের বৈঠক শেষে বিকেল বেলাতেই মালদহের উদ্দেশে রওয়ানা দেবেন মুখ্যমন্ত্রী। বুধবার গাজোল ময়দানে জনসভা করবেন তিনি। পরদিন, বৃহস্পতিবার মুর্শিদাবাদের বহরমপুর স্টেডিয়ামে জনসভা করার কথা রয়েছে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের। মূলত এই দুই জনসভা থেকে এসআইআর, বাংলাভাষীদের আক্রান্ত হওয়া, কেন্দ্রীয় বঞ্চনা ইস্যু তুলে ধরে কেন্দ্রের প্রতি আক্রমণ শানাবেন বলে মনে করছে রাজনীতি মহলের একাংশ।
উল্লেখ্য, চব্বিশের লোকসভা ভোটে মালদহ অধরাই থেকে গিয়েছিল তৃণমূলের। এই জেলার দুটি লোকসভা কেন্দ্রের একটিতে রয়েছে বিজেপি, আরেকটিতে কংগ্রেস জিতেছিল। তাই রাজনৈতিক মহলের মত, ছাব্বিশের ভোটে তার প্রভাব যাতে একবিন্দুও না পড়ে, সেই কারণে এত আগে থেকে তৃণমূল সুপ্রিমো নিজে জেলায় গিয়ে বার্তা দেবেন। এছাড়া মুর্শিদাবাদও নানা সমস্যায় জর্জরিত। চলতি বছর ধুলিয়ানের সাম্প্রদায়িক অশান্তির জের গড়িয়েছিল বহু দূর। এলাকায় শান্তি বজায় রাখতে এবার মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের এই সফর গুরুত্বপূর্ণ প্রভাব ফেলবে বলে মনে করা হচ্ছে।





