১০০ দিনের কাজে কেন্দ্রের কাছে রাজ্যের বকেয়ার পরিমাণ ৫২ হাজার কোটি টাকা। সেই টাকা মেটানোর দাবিতে শুক্রবার সংসদ চত্বরে বিক্ষোভ দেখালেন তৃণমূল সাংসদরা। এদিন সংসদের মকরদ্বারের সামনে একযোগে দলের লোকসভা ও রাজ্যসভার সাংসদরা বিক্ষোভ দেখান। হাতে ছিল ৫২০০০ লেখা পোস্টার।
শতাব্দী রায়, সৌগত রায়, মহুয়া মৈত্র, ডেরেক ও ব্রায়েন, কাকলি ঘোষদস্তিদার, সুস্মিতা দেব, মমতাবালা ঠাকুর, দোলা সেন -সহ তৃণমূলের প্রায় সব সাংসদই এদিন শামিল হয়েছিলেন বিক্ষোভে। সঙ্গে স্লোগান, ‘বাংলার প্রাপ্য বকেয়া মেটানো হচ্ছে না কেন? জবাব চাই, জবাব দাও।’ এদিনের বিক্ষোভ প্রসঙ্গে বর্ষীয়ান সাংসদ সৌগত রায়ের বক্তব্য, “বাংলাকে বঞ্চিত করে কেন্দ্রীয় সরকার, মোদি-অমিত শাহরা বাংলার মানুষকে শুকিয়ে মারতে চাইছে এর প্রতিবাদে আমরা বিক্ষোভ দেখাচ্ছি।” এ প্রসঙ্গে দলের অপরস সাংসদ কাকলি ঘোষদস্তিদার জানান, “১০০ দিনের কাজে যে দরিদ্র, দিন আনি দিন খাই মানুষগুলো রয়েছেন তাঁদের প্রতি এই প্রতিহিংসা পরায়ণ রাজনৈতিক চাল ভারতীয় জনতা পার্টির বাংলার মানুষ এগুলো মেনে নেবে না।”

প্রসঙ্গত, কলকাতা হাই কোর্ট ইতিমধ্যেই নির্দেশ দিয়েছে, রাজ্যের সব ১০০ দিনের বকেয়া মিটিয়ে দিতে হবে কেন্দ্রকে। তারপরও লাগাতার অ্যাকশন টেকেন রিপোর্ট চেয়ে ঝুলিয়ে রেখেছে কেন্দ্র। এ বিষয়ে কাকলি ঘোষদস্তিদারের দাবি, যে বরাদ্দকৃত টাকা আমাদের প্রাপ্য তা কেন্দ্র আটকে রেখেছে, এটাই সত্যি। তারওপর পশ্চিমবঙ্গে ৬৪ টা টিম পাঠিয়েছে। যা নিয়ে দোলা সেনের প্রশ্ন, “এই নিয়ে ৬৪ বার অ্যাকশন টেকেন রিপোর্ট দিল্লিতে পাঠানো হয়েছে। কিন্তু কিছুতেই ওরা টাকা দিতে চাইছে না।” পাশাপাশি বৃহস্পতিবার সংসদের অন্দরেও একশো দিনের কাজের বকেয়া নিয়ে সরব হন মেদিনীপুরের সাংসদ জুন মালিয়া। রাজ্যসভায় প্রশ্ন তোলেন দোলা সেন।





