Header AD
Trending

নানুরে আড্ডার মাঝেই খুন তৃণমূলের বুথ সভাপতি, গুরুতর জখম আরও পাঁচ

আড্ডার মাঝেই খুন হলেন তৃণমূল নেতা। শুক্রবার রাতে নানুরে বুথ সভাপতিকে ধারালো অস্ত্র দিয়ে কুপিয়ে খুনের অভিযোগ উঠল দুষ্কৃতিদের বিরুদ্ধে। এই ঘটনায় গুরুতর জখম হয়েছেন আরও পাঁচজন।  আশঙ্কাজনক অবস্থায় পূর্ব বর্ধমানের মঙ্গলকোট ব্লকের হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছেন তাঁরা। এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে তীব্র  চাঞ্চল্য  ছড়িয়েছে এলাকায়। খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে যায় নানুর থানার পুলিশ। শনিবার পূর্ব বর্ধমানের মঙ্গলকোট হাসপাতালে রাসবিহারীবাবুর দেহের ময়নাতদন্তের পর তাঁর দেহ নিয়ে আসা হবে গ্রামে।

সূত্রের খবর, মৃত তৃণমূল বুথ সভাপতির নাম রাসবিহারী সর্দার । নানুরের থুপসড়া অঞ্চলের তৃণমূল বুথ সভাপতি ছিলেন তিনি। শুক্রবার রাতে নানুরে পাতিছাড়া গ্রামে নাটমন্দিরে বসে  গ্রামবাসীদের  সঙ্গে আড্ডা দিচ্ছিলেন তিনি। আচমকাই  বচসা বাঁধে আড্ডার মাঝে। সেই মুহূর্তেই একদল দুষ্কৃতি লোহার রড, শাবল নিয়ে হামলা চালায়। বুথ সভাপতি রাসবিহারীবাবুকে মাটিতে ফেলে আঘাত করতে থাকে। তাঁকে বাঁচাতে গিয়ে জখম হন আরও পাঁচজন। তড়িঘড়ি তৃণমূল নেতাকে উদ্ধার করে হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়। তবে শেষরক্ষা হয়নি। হাসপাতালে চিকিৎসকরা তাঁকে মৃত বলে ঘোষণা করেন।

 প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, ঘটনাটি এত দ্রুত ঘটেছে যে পালানো বা সেই মতো প্রতিরোধের সময় পর্যন্ত মেলেনি। ঘটনাস্থলে পুলিশ পৌঁছনোর আগেই সেখান থেকে চম্পট দেয় দুষ্কৃতির দল। বুথ সভাপতি রাসবিহারীবাবুর ছেলে মানব সর্দার বলেন, “পার্টি অফিস থেকে বেরিয়ে নাটমন্দিরের কাছে এসেছিলেন বাবা। সেই সময় কয়েকজন শাবল, লোহার রড দিয়ে কোপাতে থাকে। বাবা সেখানেই মারা যান। আমাদের আরও পাঁচজন আহত হয়েছেন। থানায় এফআইআর দায়ের করেছি। পুলিশ এসেছিল। আমি বাবার হত্যাকারীদের শাস্তি চাই।”

ইতিমধ্যেই অশান্তি এড়াতে মোতায়েন করা হয়েছে বিশাল পুলিশ বাহিনী। দীর্ঘদিনের বিবাদের জেরেই এই হামলা বলেই পুলিশের প্রাথমিক অনুমান। যদিও গ্রামজুড়ে দুষ্কৃতিদের খোঁজে তল্লাশি চালাচ্ছে পুলিশ। তবে কী কারণে হামলা তা নিয়ে সৃষ্টি হয়েছে রহস্যের। শত্রুতা নাকি বচসার জেরেই এই হামলা তা খতিয়ে দেখছে পুলিশ।