বাংলায় অনুষ্ঠিত হতে চলেছে বিশ্বের অন্যতম বৃহৎ ধর্মীয় সমাবেশ ‘বিশ্ব ইজতেমা’। ৩২ বছর পর বাংলায় এই ধর্মীয় সমাবেশ হতে চলেছে। আগামী বছরের শুরুতেই হুগলিতে এই সমাবেশ হবে। এই সমাবেশ যাতে সুষ্ঠুভাবে সম্পন্ন হয়, কোনওরকম অপ্রীতিকর পরিস্থিতি তৈরি না হয়, সেজন্য কড়া নির্দেশ দিয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় (Mamata Banerjee)। সোমবার নবান্নে ইমামদের সঙ্গে এই সমাবেশের প্রস্তুতি নিয়ে বৈঠক করেন মুখ্যমন্ত্রী। পাশাপাশি একাধিক বিষয় নিয়ে বৈঠকে আলোচনা হয়।
ইজতেমার প্রস্তুতি ও ব্যবস্থাপনা নিয়ে সোমবার নবান্ন সভাঘরে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়(Mamata Banerjee)যে বৈঠক করেন সেখানে উপস্থিত ছিলেন মন্ত্রী ফিরহাদ হাকিম, জাভেদ খান, সিদ্দিকুল্লাহ চৌধুরী এবং অরূপ বিশ্বাস। বৈঠকে মুখ্যমন্ত্রী স্পষ্ট করে জানান, এত বড় ধর্মীয় সমাবেশে যাতে কোনও অপ্রীতিকর ঘটনা না ঘটে, সে বিষয়ে প্রশাসনকে সর্বদা সতর্ক থাকতে হবে। আগত ধর্মপ্রাণ মানুষদের থাকা, খাওয়া-দাওয়া, যাতায়াত এবং নিরাপত্তা—সব দিকই খতিয়ে দেখার নির্দেশ দেন তিনি। পর্যাপ্ত স্বেচ্ছাসেবক মোতায়েনের কথাও বলেন মুখ্যমন্ত্রী।
আগামী ২ জানুয়ারি থেকে হুগলিতে এই ধর্মীয় সমাবেশ শুরু হবে। চলবে ৫ তারিখ পর্যন্ত। সারা দেশের পাশাপাশি বিশ্বের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে ধর্মপ্রাণ মানুষজন ওই সমাবেশে অংশ নেবেন বলে ইমামদের তরফে জানানো হয়েছে। চারদিনের ওই ধর্মীয় সমাবেশে প্রায় ১৮ থেকে ২০ লক্ষ মানুষ উপস্থিত হবেন বলে মনে করা হচ্ছে। হুগলির পোলবার দাদপুর এলাকায় ওই সমাবেশ হবে।
নবান্ন সূত্রে জানা গিয়েছে, আগামী দিনে ইজতেমার নিরাপত্তা, যান চলাচল নিয়ন্ত্রণ এবং জরুরি পরিষেবা নিয়ে আরও একাধিক প্রস্তুতি বৈঠক হবে। এত বড় ধর্মীয় সমাবেশ যাতে শান্তিপূর্ণ ভাবেই সম্পন্ন হয়, সেই লক্ষ্যেই প্রশাসনের বিভিন্ন স্তরকে সমন্বয় রেখে কাজ করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।





