অন্তঃসত্ত্বা অবস্থায় সোনালি বিবিকে দিল্লি থেকে ‘বাংলাদেশি অনুপ্রবেশকারী’হিসেবে পাকড়াও করেছিল পুলিশ। এরপর সীমান্ত থেকে বাংলাদেশে তাঁদের ‘পুশ ব্যাক’ করে বিএসএফ। বাংলাদেশের দীর্ঘ জেলজীবন, অসুস্থতা, নাগরিকত্ব নিয়ে সংশয় – সবরকম প্রতিকূলতার মোকাবিলা করে অবশেষে এ মাসেই দেশে ফিরেছেন বীরভূমের পরিযায়ী শ্রমিক সোনালি খাতুন। সপ্তাহ দুই আগে দেশে ফেরার পর প্রথমে রামপুরহাট মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন ছিলেন তিনি। পরে নিজের বাড়িতে ফিরেছেন। আপাতত পাইকর গ্রামের বাড়িতে বিশ্রামে রয়েছেন সোনালি বিবি। এই অবস্থায় তাঁকে ফোন করে চিকিৎসা সংক্রান্ত সমস্ত সাহায্যের আশ্বাস দিয়েছেন তৃণমূলের সর্বভারতীয় সাধারণ অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। শুক্রবার সোনালির সঙ্গে দেখা করার কথা ছিল তাঁর। কিন্তু এই অবস্থায় তাঁকে বিশ্রামে থাকার পরামর্শ দিয়ে অভিষেক জানিয়েছেন, সোনালির সন্তান ভূমিষ্ঠ হওয়ার পরই তাঁর সঙ্গে সাক্ষাৎ করবেন।
প্রসঙ্গত, গত বুধবার দিল্লিতে সংসদ ভবনের বাইরে দাঁড়িয়ে ডায়মন্ড হারবারের তৃণমূল সাংসদ অভিষেক জানিয়েছিলেন, “আগামী শুক্রবার সোনালি খাতুনের পরিবারের সঙ্গে দেখা করছি। তাঁর পরিবারের সকলের প্রতি আমার সমবেদনা ছিল। যোগাযোগের মধ্যেই ছিলাম আমরা।“ আজ বৃহস্পতিবার সোনালির সঙ্গে দেখা করার দিনক্ষণ বদল করলেন অভিষেক। তবে এই মুহূর্তে বলা হচ্ছে, বীরভূমের তরুণীর শারীরিক অবস্থার কথা বিবেচনা করেই এখন যাতায়াতের বিষয়টি স্থগিতের প্রয়োজন বলে মনে করছেন সাংসদ। এদিন সোনালিকে ফোন করে তাঁর চিকিৎসায় সমস্ত সাহায্য করবেন বলে আশ্বাস দিয়েছেন তিনি। সোনালিকে ফোনে অভিষেক জানিয়েছেন, সোনালির প্রসবের জন্য যা যা চিকিৎসা পরিষেবা প্রয়োজন, তার সবটাই ব্যবস্থা করবেন তিনি।





