দুই রুশ মহিলাকে খুনের অভিযোগ ঘিরে চাঞ্চল্য ছড়াল গোয়ায়। গত ১৪ ও ১৫ জানুয়ারি তাঁদের মৃত্যু হয়। তবে দেহদুটি পুলিশ উদ্ধার করে ১৬ জানুয়ারি। জানা গিয়েছে, দুজনকেই গলা কেটে খুন করা হয়েছে। এই খুনের অভিযোগে লিওনভ নামে এক রুশ নাগরিককে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। খুন হওয়া ওই দুই মহিলা তাঁর বান্ধবী ছিলেন বলে প্রাথমিক তদন্তে জানা গিয়েছে।
পুলিশ সূত্রে খবর, দু’জনেরই নাম এলিনা। একজনের নাম এলিনা কাস্থানোভা , অপরজনের এলিনা ভানিভা। দুজনেরই বয়স ৩৭। উত্তর গোয়ার আরাম্বল ও মোরজিম গ্রামে গিয়ে লিওনভ তাঁর দুই বান্ধবীকে হত্যা করেছেন বলে অভিযোগ। মোরজিমে একটি ভাড়াবাড়িতে থাকতেন ভানিভা। পুলিশের দাবি, ১৪ জানুয়ারি ভানিভার বাড়ি গিয়েছিলেন অভিযুক্ত লিওনভ। তারপর রাত ১১টা নাগাদ তাঁকে গলা কেটে খুন করে পালিয়ে যান তিনি। পরের দিন সন্ধ্যায় আরাম্বলে বান্ধবী এলেনা কাস্থানোভার বাড়ি যান। প্রথমে তাঁকে দড়ি জাতীয় কিছু দিয়ে বেঁধে ফেলেন। তারপর একই কায়দায় কাস্থানোভার গলা কেটে দেন।
বৃহস্পতিবার কাস্থানোভার হাত-পা বাঁধা অবস্থায় দেহ উদ্ধার হয় আরাম্বল এলাকার একটি বাড়ি থেকে। টুরিস্ট ভিসা নিয়ে গত ২৪ ডিসেম্বর গোয়ায় এসেছিলেন তিনি। একটি বাড়ি ভাড়া নিয়ে থাকতেন। এখানে এসেই লিওনভের সঙ্গে পরিচয় হয় তাঁর। কাস্থানোভাকে খুনের অভিযোগে লিওনভ গ্রেপ্তার হওয়ার পরে ভানিভার বিষয়টি প্রকাশ্যে আসে। গোয়া পুলিশ মোরজিমের ওই বাড়িতে গিয়ে ভানিভার দেহ উদ্ধার করে। যদিও জেরায় লিওনভ দাবি করেছেন, দুই রুশ মহিলার সঙ্গে তাঁর বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক ছিল। প্রাথমিক ভাবে পুলিশ জানতে পেরেছে, ভানিভার লিভ ইন পার্টনার ছিলেন লিওনভ। তবে দুই মহিলাকে কী কারণে তিনি খুন করেছেন তা এখনও স্পষ্ট নয় বলে পুলিশ সূত্রে খবর। এই ঘটনায় আরও কেউ জড়িত ছিল কি না সেটাও খতিয়ে দেখা হচ্ছে।





