বাংলায় বিজেপিকে রুখতে একমাত্র সক্ষম নেত্রী হলেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়—এমনই স্পষ্ট দাবি করলেন সমাজবাদী পার্টির প্রধান অখিলেশ যাদব। মঙ্গলবার নবান্নে মুখ্যমন্ত্রীর সঙ্গে বৈঠকের পর সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে তিনি জানান, আসন্ন বিধানসভা নির্বাচনের পরে ফের চতুর্থবার বাংলার মুখ্যমন্ত্রী হবেন ‘দিদি’।
নবান্নে স্বল্প সময়ের বৈঠকের পর মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় ও অখিলেশ যাদব একসঙ্গে সাংবাদিকদের প্রশ্নের উত্তর দেন। মুখ্যমন্ত্রী জানান, দু’জনের মধ্যে বিভিন্ন রাজনৈতিক বিষয়ে আলোচনা হয়েছে। এরপর অখিলেশ বলেন,
“ইডির কাছে দিদি হারেননি, বরং ইডিই হেরেছে। এবার বিজেপির হার নিশ্চিত। গোটা দেশে বিজেপির মোকাবিলা করার ক্ষমতা একমাত্র মমতারই আছে।”এই প্রসঙ্গে আইপ্যাকের অফিস ও কর্ণধার প্রতীক জৈনের বাড়িতে ইডি তল্লাশি নিয়েও সরব হন অখিলেশ। তাঁর বক্তব্য, পেনড্রাইভ বিতর্ক থেকে শুরু করে কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থার ভূমিকা—সব ক্ষেত্রেই বিজেপির রাজনৈতিক উদ্দেশ্য স্পষ্ট। তিনি কটাক্ষ করে বলেন, বিজেপি এখনও পেনড্রাইভের ‘পেন’ ভুলতে পারেনি, আর বাংলায় ইডির পরাজয় তারা মেনে নিতে পারছে না। তাঁর কথায়, “সিবিআই (CBI), ইনকাম ট্যাক্স ( Income tax), ইডি (ED) সব বিজেপির শাখা সংগঠন। ইডি সেদিন প্রার্থী তালিকা নিতে এসছিল। দিদি সেই ডিজিটাল ডাকাতি রুখে দিয়েছেন।“
এসআইআর প্রসঙ্গেও মুখ্যমন্ত্রীর পাশে দাঁড়িয়ে নির্বাচন কমিশন ও বিজেপির বিরুদ্ধে তীব্র আক্রমণ শানান অখিলেশ। তাঁর অভিযোগ, “বাংলায় বিজেপির পরাজয় নিশ্চিত জেনেই ভোট কাটার কৌশল হিসেবে এসআইআর আনা হয়েছে। নির্বাচন কমিশনকে রাজনৈতিক অস্ত্র হিসেবে ব্যবহার করছে বিজেপি।”
সবশেষে ‘দিদি’র নেতৃত্বের উপর পূর্ণ আস্থা প্রকাশ করে অখিলেশ যাদব বলেন, বাংলায় বিজেপির কোনও ভবিষ্যৎ নেই এবং মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ই চতুর্থবারের জন্য মুখ্যমন্ত্রীর দায়িত্ব নেবেন—এ নিয়ে তাঁর কোনও সংশয় নেই।





