২০২৮ সালের মাঝামাঝি থেকে শুরু হবে নিউ গড়িয়া-এয়ারপোর্ট মেট্রোপথ। চিংড়িঘাটা জট এড়াতে না পারার কারণেই মূলত পিছিয়ে গেল এই রুটে যাত্রীপরিষেবা শুরুর কাজ। সোমবার রেলমন্ত্রী অশ্বিনী বৈষ্ণবের বাজেট সংক্রান্ত সাংবাদিক সম্মেলনের পর একথা জানালেন মেট্রোর জেনারেল ম্যানেজার শুভ্রাংশুশেখর মিশ্র। তিনি জানান, নোয়াপাড়া থেকে বারাসত পর্যন্ত মেট্রো প্রকল্পের কাজ আপাতত মাইকেলনগর পর্যন্ত করা হবে এমনই সিদ্ধান্ত হয়েছে। তবে তা শেষ করতেও ২০২৮ সাল হয়ে যাবে। তবে মাইকেলনগর থেকে বারাসত বাকি অংশ মাটির তলা দিয়ে নিয়ে যাওয়ার পরিকল্পনা রয়েছে মেট্রো (Kolkata Metro) কর্তৃপক্ষের। এই পরিকল্পনায় খরচ অনেকটাই বাড়বে। ছাড়পত্র আদায় করতে রেলবোর্ডের কাছে পাঠানো হয়েছে।
এদিন রেলমন্ত্রী বাজেট বক্তৃতায় বলেন, “প্রকল্প এগিয়ে নিয়ে যেতে অর্থ বাধা হয়ে দাঁড়াবে না। রাজ্যের থেকে ছাড়পত্র পেলেই শুরু হবে কাজ।“ মেট্রোর জিএম এদিন বলেন, নিউ গড়িয়া-এয়ারপোর্ট প্রকল্প ২০২৭ সালের মাঝামাঝি শেষ হওয়ার কথা ছিল। কিন্তু চিংড়িঘাটায় কাজ করার ছাড়পত্র ট্রাফিক থেকে না মেলার কারণেই কাজ এগনো যাচ্ছে না। তিন মাসের বেশি সময় ধরে আটকে রয়েছে কাজ। ছাড়পত্র এখন দিলেও কাজ পুরোপুরি শেষ হতে ২০২৮ সালের মাঝামাঝি হয়ে যাবে। অন্যদিকে ইয়েলো লাইনের কাজ আপাতত মাইকেলনগর পর্যন্ত হবে।
মেট্রোর তরফে এদিন জানানো হয়, অরেঞ্জ লাইন অর্থাৎ নিউ গড়িয়া-এয়ারপোর্ট লাইনে ২০২৬-২৭ অর্থবর্ষে বরাদ্দ হয়েছে ৭০৫.৫০ কোটি টাকা, গত বছরের তুলনায় যা ১৫ কোটি কম। জোকা-এসপ্ল্যানেড প্রকল্প (পার্পল লাইনে) ৯০৬.৬০ কোটি টাকা বরাদ্দ হয়েছে, গতবছর যা ছিল ৯১৪ কোটি। তবে ইস্ট-ওয়েস্ট মেট্রো প্রকল্পে (গ্রিন লাইন) গতবছরের বরাদ্দ থেকে ২৯ কোটি টাকা বেড়ে হয়েছে ৫২৯ কোটি টাকা। মেট্রোর তরফে জানানো হয়েছে, জোকা-এসপ্ল্যানেড প্রকল্পের গতি কিছুটা থমকে রয়েছে বিধান মার্কেট না সরানোর কারণে। সেকারণেই হয়তো বাজেটে অর্থ বরাদ্দ বিশেষ বাড়েনি বলে অনুমান তাঁদের।
অন্যদিকে, কবি সুভাষ মেট্রো স্টেশনের নির্মাণকাজ শুরু হবে চলতি বছরের এপ্রিল-মে মাস নাগাদ। ইতিমধ্যে ওই স্টেশনের নতুন নকশা তৈরি করা হয়েছে যা আগের তুলনায় বদলে দেবে গোটা স্টেশনকে।





