Header AD

লজিক্যাল ডিস্ক্রিপেন্সির বাহানায় বারবার তলব! কমিশনের বিরুদ্ধে সরব তৃণমূলের প্রতিনিধিদল

এসআইআর প্রক্রিয়া নিয়ে দেশের রাজধানী দিল্লি থেকে শুরু করে বাংলাতে ক্রমেই পারদ চড়ছে। আজ, বুধবার এসআইআর প্রক্রিয়ার শুনানি নিয়ে সুপ্রিম কোর্টে সওয়াল করেছেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। ঠিক এদিন বিকেল বেলাতেই বাংলার নির্বাচন কমিশন দপ্তরে তৃণমূলের পাঁচ সদস্যের প্রতিনিধি দল আবারও হাজির হয়েছিলেন। এদিনও লজিক্যাল ডিসক্রিপেন্সি ও মাইক্রো অবজারভার নিয়ে নির্বাচন কমিশন থেকে আবারও সরব হয়েছে তৃণমূলের প্রতিনিধি দল। বিজেপি পার্টি অফিস হিসেবে ভোটের কাজ করছে এই নির্বাচন কমিশন এই বলে অভিযোগ করেন তৃণমূলের প্রতিনিধিরা।

এদিন তৃণমূলের পাঁচ সদস্যের প্রতিনিধি দলে উপস্থিত ছিলেন, মন্ত্রী শশী পাঁজা, চন্দ্রিমা ভট্টাচার্য, বিধায়ক পার্থ ভৌমিক, পরিবহন মন্ত্রী স্নেহাশীষ চক্রবর্তী, পুলক রায়। তারা সকলে দেখা করেন সিইও-র সঙ্গে। এদিন তৃণমূলের প্রতিনিধি দল প্রশ্ন তুলেছেন, এ রাজ্যে মাইক্রো অবজারভার কি কারনে পাঠানো হয়েছে? যার জন্য এসআইআর নিয়ে জটিলতা আরো বাড়ছে। সাধারণ মানুষ অকারণে হয়রানির শিকার হচ্ছে। এদিন মন্ত্রি শশী পাঁজা বলেন, “মানুষ অত্যন্ত বিব্রত ও হেনস্থার শিকার হচ্ছে। মাইক্রো অবজারভারের মাধ্যমে ম্যাপিং ও ভোটারের নথি যাচাই করা হচ্ছে। বাংলা সমস্ত ভোটারদের ভেরিফিকেশনের মাধ্যমে যেতে হচ্ছে, যারা নিশ্চিন্তে ছিলেন এখন তাদের সমস্যার মধ্যে পড়তে হচ্ছে। মাইক্রো অবজারভার নিয়োগ সম্পূর্ণ অগণতান্ত্রিক। লো ম্যাপিং ভোটার, লজিক্যাল ডিসক্রিপেন্সিতে ভোটারের ভাবে বাকি এখনো ৫ কোটি ৪০ লক্ষ্য ভোটারদের ভেরিফাই করছে মাইক্রো অবজারভার। কেন কি উদ্দেশ্যে এই মাইক্রো অবজারভার বিজেপি শাসিত রাজ্যের নেই? তার সঠিক কোন উত্তর দিতে পারছে না„তৃণমূলের প্রতিনিধি দলের পক্ষ থেকে যে

দ্বিতীয় দাবিটি রাখা হয় সেটি হল, হেয়ারিং ডেট ল্যাপসের বিষয়টি। এই হেয়ারিং ডেট ল্যাপসের বিষয়টি তারা তুলে ধরেছেন এবং জানতে চেয়েছেন এর দায় কার? এর জন্য মানুষকে হয়রানির শিকার হতে হচ্ছে। মুখ্যমন্ত্রী কথা তুলে ধরে তারা বলেন, মুখ্যমন্ত্রী দেখিয়ে দিয়েছেন আজ সুপ্রিম কোর্টে গিয়ে সওয়াল করে। সাধারণ মানুষের হয়ে কাজ করেছেন। ভোটাধিকার কেড়ে নিতে অগণতান্ত্রিক কাজ করা হচ্ছে বলে দাবি করেন তৃণমূলের প্রতিনিধি দল। যারা প্রকৃত ভোটার তাদের আবার করে ভেরিফিকেশন এর প্রয়োজন নেই। আলাদা করে পোর্টাল করা নিয়েও অবজেকশন জানিয়েছে তৃণমূল। সাংবাদিক বৈঠক শেষে এদিন শশী পাঁজা বলেন, “তাদের এই দুটি দাবির কথা শোনা মাএই নির্বাচনী আধিকারিক সিইও নিজের মেজাজ হারান।„ এখন শুধুই সময়ের অপেক্ষা যে বাংলার নির্বাচন কমিশন এই অভিযোগের কি পদক্ষেপ নয়।