Header AD

স্বপ্না বর্মণের মনোনয়ন ঘিরে জটিলতা! ‘কমিশন পরিকল্পিত’ বলে কটাক্ষ অভিষেকের

ab swapna

নির্বাচনী জনসভা থেকে দলীয় প্রার্থীদের মনোয়ন জমা দেওয়ার বিষয়ে বার বার সতর্কবার্তা দিচ্ছেন তৃণমূল নেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় (Mamata Banerjee)। সেই আবহে এবার আরও এক বিস্ফোরক অভিযোগ তুললেন তৃণমূলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক ও ডায়মন্ড হারবারের সাংসদ অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় (Abhishek Banerjee)। বুধবার রাজগঞ্জের আমবাড়ি সুদামগঞ্জ ময়দানের জনসভা থেকে নির্বাচন কমিশনকে নিশানা করে তিনি অভিযোগ করেন, তৃণমূল প্রার্থী স্বপ্না বর্মণ যাতে নির্বাচনে মনোনয়ন জমা দিতে না পারেন, তার জন্য পরিকল্পিত ব্যবস্থা করা হয়েছিল।

প্রসঙ্গত জলপাইগুড়ির রাজগঞ্জ কেন্দ্রে তৃণমূল কংগ্রেস এবার প্রার্থী করেছে এশিয়াডে স্বর্ণজয়ী অ্যাথলিট স্বপ্না বর্মণকে (Swapna Burman)। কিন্তু মনোনয়ন জমা দেওয়ার আগেই রেলের চাকরি ঘিরে জটিলতায় পড়েন তিনি, যার জল গড়ায় হাইকোর্ট পর্যন্ত। স্বপ্না বর্মনের (Swapna Burman) ইস্তফা নিয়ে জটিলতা সংক্রান্ত মামলায় সোমবারের মধ্যে নিজেদের বক্তব্য জানাতে হবে রেলকে। শুক্রবার এই নির্দেশ দেয় কলকাতা হাই কোর্টের জলপাইগুড়ি সার্টিক বেঞ্চ। আদালতের নির্দেশের পরিপ্রেক্ষিতে রেল ইতিমধ্যের নো ডিউস সার্টিফিকেট দিয়েছে স্বপ্নাকে। এর ফলে তাঁর মনোনয়ন জমা দেওয়ার বিষয়ে ধোঁয়াশা অনেকটাই কেটেছে। যদিও আদালতে সেই মামলার নিষ্পত্তি এখনও হয়নি।

ঘটনার পরিপ্রেক্ষিতে অভিষেকের কথায়, এই পরিস্থিতিতে তৃণমূল কংগ্রেসকে আদালতের দ্বারস্থ হতে হয়েছে। তিনি আরও বলেন, পিতৃহারা একজনকে আদালতে টেনে নিয়ে যাওয়া হয়েছে—যা অত্যন্ত দুঃখজনক। পাশাপাশি তিনি প্রতিশ্রুতি দেন, মানুষের ভালোবাসা যদি তৃণমূলকে জিতিয়ে দেয়, তাহলে উন্নয়নের মাধ্যমে তা সুদসহ তা ফিরিয়ে দেওয়া হবে। অভিষেক দাবি করেন, স্বপ্না বর্মণ প্রায় ৪০ হাজার ভোটের ব্যবধানে জয়ী হবেন। তিনি আরও বলেন, খগেশ্বর রায়ের অসম্পূর্ণ কাজ সম্পূর্ণ করবেন স্বপ্না, এবং অভিভাবকের মতো পাশে থাকবেন খগেশ্বর রায়।

রাজগঞ্জের সভা থেকে তিনি জানান, নির্বাচনের পর ছ’মাসের মধ্যেই জায়গা চিহ্নিত করে ফায়ার ব্রিগেডের কাজ শুরু হবে। একইসঙ্গে রাজগঞ্জ বিধানসভায় কলকাতা হাইকোর্টের সার্কিট বেঞ্চ স্থাপনকে তিনি বড় সাফল্য হিসেবে তুলে ধরেন। বিজেপিকেও তীব্র আক্রমণ করেন অভিষেক। তাঁর অভিযোগ, রাজগঞ্জে বহিরাগত প্রার্থী দিয়েছে বিজেপি। পাশাপাশি SIR ইস্যু নিয়েও তিনি মন্তব্য করেন, “SIR যত নামই কাটুক, তৃণমূল আসলে সমুদ্র, সেই সমুদ্র থেকে জল তুললে সমুদ্রের জল কমে না।”