গিরিশ পার্কে অশান্তির ঘটনায় গ্রেপ্তার ৯ জনকে আগামী ২৩ মার্চ পর্যন্ত বিচারবিভাগীয় হেফাজতে পাঠানোর নির্দেশ দিয়েছে আদালত। বৃহস্পতিবার পুলিশ তাদের নিজেদের হেফাজতে নেওয়ার আবেদন করলেও বিচারক তা খারিজ করে জেল হেফাজতের নির্দেশ দেন। একই সঙ্গে অভিযুক্তদের পক্ষ থেকে জামিনের আবেদন করা হলেও তা মঞ্জুর হয়নি।
অভিযুক্তদের আইনজীবীর দাবি, পুরো ঘটনাটি পরিকল্পিত এবং বাজেয়াপ্ত সামগ্রী যথাযথ নিয়ম মেনে সংরক্ষণ করা হয়নি। এমনকি সিসিটিভি ফুটেজ সংগ্রহ করা হয়েছে কি না, তা নিয়েও প্রশ্ন তোলা হয়েছে। এদিকে, নির্বাচন কমিশন এই ঘটনায় পুলিশের রিপোর্টে অসন্তোষ প্রকাশ করে নতুন করে রিপোর্ট চেয়েছে। বিশেষ করে ১৪ মার্চের ঘটনায়, প্রায় এক ঘণ্টা অশান্তি চললেও কেন কেন্দ্রীয় বাহিনী মোতায়েন করা হয়নি—তা নিয়ে কমিশন ব্যাখ্যা চেয়েছে।
উল্লেখ্য, ওই দিন বিজেপির ব্রিগেড সমাবেশে যাওয়ার পথে গিরিশ পার্ক এলাকায় কয়েকটি বাসে হামলার ঘটনা ঘটে। বিজেপির অভিযোগ, রাজ্যের মন্ত্রী শশী পাঁজার অনুগামীরাই হামলায় জড়িত ছিলেন। অন্যদিকে, তৃণমূলের দাবি, বিজেপি কর্মীরাই উসকানি ছাড়া অশান্তি সৃষ্টি করেন এবং মন্ত্রীর বাড়িতেও হামলা চালানো হয়। ঘটনায় দুই পক্ষেরই কয়েকজন আহত হন, আহত হন এক পুলিশ আধিকারিকও।
ঘটনার পর পুলিশ স্বতঃপ্রণোদিত হয়ে মামলা দায়ের করে। পরে তৃণমূল ও বিজেপি—উভয় পক্ষই পৃথক অভিযোগ জানায়। এই ঘটনায় মোট আটজন পুলিশকর্মী আহত হয়েছেন বলে জানা গেছে। গ্রেপ্তার হওয়া ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে অবৈধ জমায়েত, খুনের চেষ্টা, সরকারি কাজে বাধা, অস্ত্র দিয়ে আঘাত এবং সরকারি সম্পত্তি নষ্ট করার মতো একাধিক গুরুতর অভিযোগ আনা হয়েছে। পাশাপাশি জনসুরক্ষা আইনের ধারাও প্রয়োগ করা হয়েছে।
#drShashipanja #girishpark #incident #bengalinews





