Header AD

এসআইআর ইস্যুতে বিএলও-দের সঙ্গে পরিষেবা শিবির খুলবে তৃণমূলও

এসআইআর ঘোষণার সঙ্গে সঙ্গেই মাঠে নেমে পড়ল তৃণমূল কংগ্রেস। মঙ্গলবার থেকেই যুদ্ধকালীন তৎপরতায় পথে নামছে তারা। তৃণমূলনেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের নির্দেশে রাজ্য সভাপতি সুব্রত বক্সি রাজ‌্যজুড়ে এই সংক্রান্ত নির্দেশিকা জারি করেছেন ইতিমধ্যেই। এ নিয়ে জেলা বা বিধানসভাভিত্তিক সভা হতে পারে। আবার কেন্দ্রীয়ভাবে ব্রিগেডেও সেই সভা হতে পারে। পাশাপাশি সাধারণের সুবিধার্থে এসআইআর ইস্যুতে বিএলও-দের সঙ্গে পরিষেবা শিবির খুলবে তৃণমূলও। সেখানে থাকবেন তৃণমূলের বুথ এজেন্টরা।

আগামী ৪ নভেম্বর থেকে বাড়ি বাড়ি গিয়ে ভোটার তালিকা সমীক্ষার কাজ শুরু করবে কমিশন। বাংলার একজন ভোটারের নামও যাতে বাদ না যায় সেই কথা মাথায় রেখে প্রায় ৮১ হাজার বুথের সবকটিতে বিএলএ ২ নিয়োগের কথা জানিয়ে দিয়েছে রাজ্যের শাসকদলও। বিএলও-দের সঙ্গে থাকবেন দলের বুথ এজেন্ট ও দলের অন্য কর্মীরা। গোটা প্রক্রিয়া যাতে নির্দিষ্টভাবে মনিটরিং করা যায়, পাশাপাশি ভোটারদের পাশে যে কোনও সমস্যায় থাকা যায়, তার জন্যই এই প্রস্তুতি তৃণমূলের। দলের বিএলএ ২-দের এরই মধ্যে প্রশিক্ষণ দেওয়া হয়েছে। রাজনৈতিক দলের বিএলএ ২ যারা হবেন, ৫০টি করে ভোটারের নাম নির্দিষ্ট ফর্মে সই করে তাঁরাই জমা দিতে পারবেন। নির্বাচন কমিশনের রুলবুক অনুযায়ী সেই অধিকার তাঁদের আছে। বুথ লেভেল অফিসাররাও সেই তালিকা জমা নিতে বাধ্য।

প্রসঙ্গত, ভোটার তালিকা সংশোধন ও নির্ভুল ভোটার তালিকা সঠিক সময়ে প্রকাশে বদ্ধপরিকর তৃণমূল নেতৃত্ব। এবিষয়ে তারা জানিয়ে দিয়েছে, একমাত্র তৃণমূলেরই সব বুথে সংগঠন আছে। প্রতি বুথের জন্য বিএলএ ২-ও তাঁদের প্রস্তুত। সেসব সামনে রেখেই একেবারে বিধানসভাভিত্তিক যাবতীয় পদক্ষেপ তাদের সারা। পাশাপাশি এতদিন যারা ভোটারতালিকা স্ক্রুটিনির কাজ করেছেন, যারা এলাকার সমস্ত ভোটারকে চেনেন, সেই সমস্ত কর্মীরা বিএলও এবং দলের এজেন্টদের সঙ্গে থাকবেন। কিছু ক্ষেত্রে রদবদল করা হয়েছে। তালিকায় যাতে ভোটাররা নিজেদের নাম যাচাই করে নিতে পারেন সেই সংক্রান্ত সহযোগিতা ভোটাররা দলের তরফে পাবেন। তৃণমূলের বক্তব্য, ছাব্বিশের বিধানসভা নির্বাচনে এই সমীক্ষা বিশেষভাবে নির্ণয়কারী হয়ে উঠবে।

একই সঙ্গে এ নিয়ে কোনও বিভ্রান্ত বা কোনও প্ররোচনায় কেউ যাতে পা না দেন, সেই আবেদন করেছেন দলের রাজ্য সাধারণ সম্পাদক কুণাল ঘোষ। তাঁর কথায়, “এই সমীক্ষার একটা রুটিন আছে। সবটা পুঙ্খানুপুঙ্খভাবে দেখা হচ্ছে। আমাদের দাবি নির্ভুল ভোটার তালিকা। অন্য রাজ্যের ভোটার এই রাজ্যে কপি পেস্ট করা হয়েছিল। যা পরে ধরা পড়ে।” কুণালের স্পষ্ট বক্তব্য, “একজন জেনুইন ভোটারের নামও বাদ গেলে তার প্রতিবাদ হবে। আমরা স্বচ্ছ ভোটার তালিকা চাই। হয়রানি যেন কারও না হয়। তেমন হলে দিল্লিতে কমিশন অফিস ঘেরাও হবে এক লক্ষ মানুষ নিয়ে।”